৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দুটি শর্ত মানলেই শবে কদরের মর্যাদা পাবে মুমিন

নিজেস্ব প্রতিবেদক

লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব ও মর্যাদা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল করেছেন, যা ‘সুরা কদর’ নামে পারিচিত। এই সুরায় কদরের রাতের মহিমা ও ফজিলত সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আবার হাদিসে পাকে দুটি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। যা মানলে বিগত জীবনের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। শর্ত দুটি কী?

আল্লাহ তাআলা বলেন-

اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰهُ فِیۡ لَیۡلَۃِ الۡقَدۡرِ ۚوَ مَاۤ اَدۡرٰىكَ مَا لَیۡلَۃُ الۡقَدۡرِ ؕ لَیۡلَۃُ الۡقَدۡرِ ۬ۙ خَیۡرٌ مِّنۡ اَلۡفِ شَهۡرٍ تَنَزَّلُ الۡمَلٰٓئِكَۃُ وَ الرُّوۡحُ فِیۡهَا بِاِذۡنِ رَبِّهِمۡ ۚ مِنۡ كُلِّ اَمۡرٍ ۙسَلٰمٌ ۟ۛ هِیَ حَتّٰی مَطۡلَعِ الۡفَجۡرِ

‘নিশ্চয়ই আমি তা (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি কদরের রাতে। আর কদরের রাত সম্বন্ধে তুমি কী জান? শবে কদর হলো- এক হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে। শান্তি আর শান্তি, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত (নাজিল হতে) থাকে।’ (সুরা আল-কদর)

এ সুরায় মহান আল্লাহ তায়ালা প্রশ্ন ও উত্তর উভয় মাধ্যমেই লাইলাতুল কদরের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেছেন। ফজিলত বর্ণনা করেছেন। অবশেষে এই রাতে আল্লাহর বহু ফেরেশতা এবং জিবরিল (আ.) মানুষের কল্যাণের জন্য জমিনে অবতরণ করেন এবং রাতটি শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে আসে।

কুরআনের এসব বর্ণনা হাদিসে বর্ণিত ফজিলতসমূহকে আরও শক্তিশালী করে এবং প্রমাণ করে যে, লাইলাতুল কদর সত্যিই উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য এক অনন্য উপহার। যেমন— এই রাতের ইবাদতের ফজিলত সম্পর্কে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন—

مَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ

‘যে ব্যক্তি ইমানদার অবস্থায় একনিষ্ঠতার সঙ্গে লাইলাতুল কদরে ইবাদত করে, আল্লাহ তাআলা তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেন। (বুখারি ১৯০১)

অর্থাৎ লাইলাতুল কদরে আল্লাহ তাআলার ক্ষমা পাওয়ার জন্য নবীজি (সা.) এই হাদিসে দুটি শর্ত উল্লেখ করেছেন—

১. ইমান-আকিদা সঠিক হতে হবে

নবীজি (সা.) প্রথম শর্ত হিসেবে বলেছেন, ইবাদতকারীকে ‘মুমিন’ হতে হবে। এর অর্থ হলো, তার আকিদা বা ধর্মীয় বিশ্বাস অবশ্যই সঠিক হতে হবে। শিরক বা অন্যান্য অপবিশ্বাস কারও অন্তরে থাকলে সে লাইলাতুল কদরের বরকত থেকে বঞ্চিতই থাকবে।

২. একনিষ্ঠতা ও নিয়ত বিশুদ্ধ হতে হবে

দ্বিতীয় শর্ত হলো ‘ইহতিসাব’, যার অর্থ হলো ইবাদতকারীর নিয়ত সঠিক এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একনিষ্ঠ হতে হবে। যদি নিয়তের মধ্যে রিয়া, লোকদেখানো বা পার্থিব কোনো উদ্দেশ্য এসে যায়, তবে সারা রাত জেগে ইবাদত করা কোনো কাজে আসবে না। ইবাদতের উদ্দেশ্য কেবল আল্লাহর নৈকট্য লাভ হতে হবে।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, কুরআন-হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী লাইলাতুল কদরে ইবাদত-বন্দেগি করা। শবে কদর তালাশ করা। তবেই সফল হবে রোজাদার মুমিন মুসলমান।

ফজরের নামাজ পড়েই ধান কাটতে নামেন এমপি এনামুল

এসি রুমে বসে জনগণের সমস্যা বোঝা যায় না: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা

ক্ষমতার অপব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় : আইজিপি

পাকিস্তানের দুই শহরে অঘোষিত ‘লকডাউন’

শান্তি চাইলে সরাসরি যোগাযোগ করুক তেহরান: ট্রাম্প

পিরোজপুর ফোরামের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

১৭ বছর পর ভাত খেলেন বিএনপি সমর্থক সেই ইনু মিয়া

হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

শ্রমিক-মালিকের যৌথ প্রচেষ্টাই আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারে: প্রধান উপদেষ্টা

ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যেই নির্বাচন, একদিনও এদিক সেদিকের সুযোগ নেই

প্রধান উপদেষ্টা দুই দফায় ২০ নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন আজ

পিআর ইস্যুতে জামায়াতের কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, কর্মসূচি ঘোষণা

আমি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চাই:ঢাবি ভিসি

‘প্রতিকারের পাশাপাশি কিডনি রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি জরুরি’

নতুন সংবিধান প্রণয়ন হতে অনেক সময় লাগবে: আসিফ নজরুল

জুনের শুরুতেই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনা শুরু

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের