৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পারমিট না থাকলে মক্কায় জায়গা পাবেন না হজযাত্রীরা

নিজেস্ব প্রতিবেদক

২০২৫ সালে হজের উদ্দেশ্যে বৈধ নথি বা পারমিট ছাড়া যেসব যাত্রী সৌদিতে যাবেন, তাদেরকে থাকার জায়গা না দিতে মক্কার সব হোটেল, মোটেল, রেস্টহাউস এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। সৌদির পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতে দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশ।

আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এ নির্দেশ এবং এর মেয়াদ শেষ হবে হজ শেষ হওয়ার পর। নির্দেশ পালন হচ্ছে কি না, যাচাই করতে মক্কার আবাসিক এলাকাগুলোতে নিয়মিত টহল দেবেন সৌদির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা ও হজের পবিত্রতার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মক্কার হোটেল-মোটেল-রেস্টহাউসের মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নতুন এই নিয়ম মেনে চলতে আদেশ দিয়েছে সরকার। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি সরকারি আদেশ নাম মানার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

ইসলাম ধর্মের চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হজ। প্রত্যেক স্বচ্ছল মুসলিমের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ করা ফরজ বা আবশ্যিক। এ কারণে প্রতি বছর হজের মৌসুমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ মুসল্লি আসেন সৌদিতে।

এই মুসল্লিদের সবাই নথিসহ বৈধভাবে আসেন এমন নয়। অনেকেই প্রয়োজনীয় নথি ব্যতীত অবৈধভাবে প্রবেশ করেন সৌদিতে। তাদের একটি অংশ আবার স্থায়ীভাবে সেখানেই থেকে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই নথিবিহীন অভিবাসীদের ব্যাপারে কঠোর নীতি নিয়েছে সৌদি। অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে দেশটির সরকার এবং যেসব উমরাহযাত্রীর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদেরকে আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে সৌদি ত্যাগের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সূত্র : গালফ নিউজ

ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ঠিক হয়নি, তবে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন: সিইসি

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

‘হালান্ডকে রুখতে বলের যোগান বন্ধ করাই মূল অস্ত্র’

কুয়েত, বাহরাইনে ফের হামলা চালাল ইরান

হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

‘প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে নতুন দ্বার উন্মোচন হবে’

পিকিং অপেরা: চীনা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মঞ্চকলার দ্বিশতাব্দীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি