২৪শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কাঁচা আমের স্বাদ পেতে তৈরি করুন টকমিষ্টি আমসত্ত্ব

নিজেস্ব প্রতিবেদক

চলছে গ্রীষ্মকাল। ফলের মৌসুম। বাজারে এখনো পাকা আম ওঠেনি, তবে কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। আর গরমে আপনি খেতে পারেন কাঁচা আমের শরবত, টক-ঝাল ভর্তা, আম পান্না, আম-ডাল। কাঁচা আমের রেসিপি করে আপনি খুব মজা করে খেতে পারেন এবং উপভোগ করতে পারেন এই কাঁচা আমের স্বাদ। তবে সারা বছর যদি সেই স্বাদ পেতে চান, তাহলে বানিয়ে ফেলুন কাঁচা আমের আমসত্ত্ব।

প্রথমে কাঁচা আমের ছাল ফেলে ও আঁটি ছাড়িয়ে মাঝারি টুকরো করে কেটে পানিতে রেখে দিন। এরপর কড়াইয়ে হালকা আঁচে পাঁচফোড়ন ও শুকনো মরিচ অল্প ভেজে নিয়ে গুঁড়া করে সরিয়ে রাখুন। এবার আরেকটি কড়াইয়ে অল্প পানিতে পরিমাণমতো লবণ দিয়ে কেটে রাখা কাঁচা আম সিদ্ধ করে নিন। আম নরম হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। নরম হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। এরপর ছাঁকনির সাহায্যে আমের পিউরি তৈরি করে নিন।

এখন কড়াই ধুয়ে চিনি দিয়ে তাতে আমের পিউরিটি ঢেলে নাড়তে থাকুন। এ সময় চাইলে এক চিমটি সবুজ ফুড কালার ব্যবহার করতে পারেন। আর না করলেও সমস্যা নেই। কারণ এর স্বাদে কোনো হেরফের হবে না। কিছুক্ষণ পর গুঁড়া করে রাখা মসলা ও হালকা বিটলবণ দিয়ে নাড়তে থাকুন।

একটা বড় স্টিলের ছড়ানো প্লেটে অল্প পিউরি নিয়ে দেখুন ধীরে ধীরে গড়িয়ে পড়ছে কিনা। যদি গড়ায়, তাহলে চুলা নিভিয়ে দিন। আমের পিউরিটি এবার পছন্দমতো ছড়ানো পাত্রে নিয়ে রোদে কিংবা চুলোর আঁচে অথবা ফ্যানের নিচে ২-১ দিন রেখে শুকিয়ে নিন। আকর্ষণীয় দেখাতে কুলায় রোদে দিলে আলাদা একটি ডিজাইন তৈরি হবে, যা দেখতে সুন্দর লাগবে।

শুকানো আমসত্ত্ব তৈরি হয়ে গেলে পছন্দমতো সাইজে কেটে বা রোল করে কিংবা ইচ্ছামতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন। ঠান্ডা কোনো স্থানে এয়ার টাইট বয়ামে রেখে সংরক্ষণ করে সারা বছর খেতে পারেন মুখরোচক এই আমসত্ত্ব।

ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ঠিক হয়নি, তবে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন: সিইসি

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

‘হালান্ডকে রুখতে বলের যোগান বন্ধ করাই মূল অস্ত্র’

কুয়েত, বাহরাইনে ফের হামলা চালাল ইরান

হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

‘প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে নতুন দ্বার উন্মোচন হবে’

পিকিং অপেরা: চীনা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মঞ্চকলার দ্বিশতাব্দীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি