আওয়ামী লীগের আমলে টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আবদুল হামিদের দেশত্যাগের ঘটনায় ফের উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গন। এরইমধ্যে শেখ হাসিনার পতনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ বেশ কিছু দল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ব্যাপারে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। এ নিয়ে এবার বিবৃতি দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং থেকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ব্যাপারে এ বিবৃতি দেওয়া হয়।
যেখানে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে সরকারের অবস্থান জানিয়ে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও জনগণের পক্ষ থেকে স্বৈরশাসন ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার যে দাবি উঠেছে, তা সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এ ব্যাপারে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেতা ও সমর্থকদের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিষয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন সরকার বিবেচনায় রাখছে।’
আ.লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদে দ্বিমত নেই: আসিফ নজরুল
আ.লীগের নিষিদ্ধ চেয়ে আন্দোলনে নামা দলগুলোকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি বলা হয়, ‘সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, ইতোমধ্যে সরকার জনদাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রচলিত আইনের অধীনে সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করেছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘সরকারের পক্ষে থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
আ.লীগ নিষিদ্ধে জাতীয় সংলাপ চান রাশেদ খান
আ.লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে: সারজিস
আবদুল হামিদের দেশত্যাগের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দেওয়া হবে জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদের বিদেশ গমন সম্পর্কে জনমনে ক্ষোভ বিষয়ে সরকার অবগত। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নিতে সরকার বদ্ধপরিকর রয়েছে।