১৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাণিজ্য বিরোধ এড়াতে চীন-ইইউ’র সংলাপ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

চলমান বৈশ্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংকটের প্রেক্ষাপটে সম্পর্কের নতুন ভিত্তি গড়ে তুলতে সংলাপের পথে হাঁটছে চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। দুই অর্থনৈতিক শক্তির মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক উত্তেজনা প্রশমিত করতে একটি যৌথ ‘বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরামর্শ পদ্ধতি’ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে বেইজিং। এ লক্ষ্যে খুব শিগগিরই উভয় পক্ষের মধ্যে বিশেষ সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়েছে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

শনিবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, সম্প্রতি ইউরোপীয় কমিশনের ‘কলেজ অব কমিশনার্স’-এ চীন-ইইউ সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনার ধারাবাহিকতায় দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বেইজিং ও ব্রাসেলসের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত স্বাভাবিক ও কার্যকর রয়েছে।

চীনের মতে, ইইউ তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদার। দুই পক্ষের সম্পর্কের ভিত্তি পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং লাভজনক সহযোগিতা। বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার সময় এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন মুখপাত্র।

তিনি বলেন, চীন আশা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নিয়ম ও নীতিমালা মেনে চলবে এবং মুক্ত বাণিজ্য ও ন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের সুরক্ষাবাদী নীতি, একতরফা নিষেধাজ্ঞা এবং বৈষম্যমূলক বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করার আহ্বান জানায় বেইজিং।

তবে সংলাপের আহ্বানের পাশাপাশি ইউরোপের উদ্দেশে একটি সতর্ক বার্তাও দিয়েছে চীন। মুখপাত্র স্পষ্টভাবে বলেন, বেইজিং আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করতে আগ্রহী। কিন্তু যদি ইউরোপীয় পক্ষ সংলাপ এড়িয়ে একতরফাভাবে নতুন বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা বা বৈষম্যমূলক বিধিনিষেধ আরোপের পথে এগোয়, তাহলে চীনও নিজের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পাল্টা ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈদ্যুতিক গাড়ি, প্রযুক্তি পণ্য এবং শিল্প খাতে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারণে চীন ও ইইউর মধ্যে বাণিজ্যিক টানাপোড়েন বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন পরামর্শ পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ উভয় পক্ষের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য বাণিজ্য বিরোধ দ্রুত সমাধান করা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণ করা সহজ হতে পারে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

‘হালান্ডকে রুখতে বলের যোগান বন্ধ করাই মূল অস্ত্র’

কুয়েত, বাহরাইনে ফের হামলা চালাল ইরান

হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

‘প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে নতুন দ্বার উন্মোচন হবে’

পিকিং অপেরা: চীনা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মঞ্চকলার দ্বিশতাব্দীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি

বাজেটে বাড়তে পারে করমুক্ত আয়সীমা

চীনের ডার্ক ল্যাব: রাসায়নিক পরীক্ষায় নতুন যুগ

মেসি থাকতেই আরেকটি বিশ্বকাপ নিয়ে নিতে হবে: ইরফান

দ্বিগুণের বেশি বরাদ্দে স্বাস্থ্য খাতে ৬২ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা