নতুনরূপে কোনো ফ্যাসিবাদ জনগণ মেনে নেবে না।
জনগণের অর্থে কেনা অস্ত্রে জনগণের বুকে আর গুলি চলুক—এ দৃশ্য দেখতে চাই না।”
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-৪ ও ৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে প্রতি ছয় মাস পরপর জনপ্রতিনিধিদের জনগণের মুখোমুখি হতে হবে এবং বিগত ও আগাম ছয় মাসে জনগণের জন্য কী কাজ করা হয়েছে ও হবে—তার হিসাব দিতে হবে। জনপ্রতিনিধিরা শাসক নয়, জনগণের সেবক হবেন।
দেশের নদী, খাল ও বিল রক্ষায় কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো জনপ্রতিনিধি ক্ষমতার অপব্যবহার করে জলাশয় দখল বা ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করতে পারবে না। করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কওমি মাদরাসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে সব সরকার এই শিক্ষাব্যবস্থাকে অবহেলা করেছে। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে কওমি মাদরাসার সর্বস্তরের সনদের স্বীকৃতি দেয়া হবে।
শিক্ষাব্যবস্থায় বাংলা ভাষার পাশাপাশি আরবি ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
যুবসমাজ সম্পর্কে তিনি বলেন, জামায়াত যুবকদের বেকার ভাতার ওপর নির্ভরশীল না করে দেশ গড়ার দক্ষ কারিগর হিসেবে তৈরি করবে। একই সঙ্গে নারী সমাজের নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বড় শহরে নারীদের জন্য ইভেনিং বাস সার্ভিস চালুর ঘোষণা দেন তিনি।
ফ্যাসিবাদ প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা ফ্যাসিবাদের ছায়ামুক্ত ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ চাই। নতুনরূপে কোনো ফ্যাসিবাদ জনগণ মেনে নেবে না।”
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজদের সংশোধনের সুযোগ দেয়া হবে এবং চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বিশেষ অ্যাপ চালু করা হবে।