বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বড় অবদান দেশটির গার্মেন্টস খাতের। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিবেশবান্ধব শিল্প কারখানা এখন বাংলাদেশের দখলে, যার সংখ্যা ২৬৩টি। বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পকে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব করে এই খাতকে আরও শক্তিশালী করতে শুরু হল তিন দিনের বাংলাদেশ-চায়না গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো (বিসিজিটিএক্স)।
বৃহস্পতিবার ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় আয়োজিত এই এক্সপোটির আয়োজনে সহযোগিতা করছে চায়নিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ এবং চীনা দূতাবাস।
ফিতা কেটে প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করেন ঢাকাস্থ চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি)-এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই)-এর প্রেসিডেন্ট মো. খোরশেদ আলম, বিজিএমইএ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফাইন্যান্স) মিজানুর রহমান এবং জিয়াংনান ইউনিভার্সিটির কলেজ অফ টেক্সটাইল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অধ্যাপক ফু জিয়াজিয়া।
এখানে পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই উপায়ে পোশাক উৎপাদন, পণ্য প্রদর্শনী, উন্নত ফ্যাব্রিক প্রযুক্তি, সেমিনার, বিনিয়োগ এবং উচ্চপর্যায়ের নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট থাকছে। বাংলাদেশ ও চীন মিলে এই শিল্পের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে এখানে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে চীনের টেক্সটাইল খাতের অর্জনের অগ্রগতিকে তুলে ধরা হয়েছে। পোশাক শিল্পের ভবিষ্যত পথ খুঁজতে দুই দেশের বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের একত্রিত করা হয়েছে পরিবেশবান্ধব শিল্পে রূপান্তরে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত চীন।’
অন্যান্য অতিথিরা চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু উল্লেখ করে এই ধরনের উদ্যোগের জন্য চীনকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।
এরপর আগত অতিথিরা প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া উদ্ভাবনী পণ্য, যন্ত্রপাতি ও স্টল ঘুরে দেখেন। পরে তা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। প্রদর্শনীটি আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে।