১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ না হওয়ার পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন তুহিন মালিক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

গত বছরের জুলাই আগস্টে ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হয় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ। গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। যেই সরকারের কাছে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের অন্যতম দাবি ছিল জুলাই ঘোষণাপত্র। তবে এরইমধ্যে ৯ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো সেই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করতে পারেনি সরকার। মাঝে বেশ কয়েক দফা জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশের সময় নির্ধারিত হলেও বারবার সেটা পিছিয়ে গেছে। জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ না হওয়ার পেছনে এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. তুহিন মালিক।

বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ না হওয়া নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন তুহিন মালিক। যেখানে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশে কোথায় বাধা সেই বিষয়গুলো সামনে এনেছেন তিনি।

সবশেষ গত ১০ মে জুলাই বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়াদের গণদাবীর প্রেক্ষিতে সরকার আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। একই দিন ঘোষণা দেয় আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করে প্রকাশ করার। তবে এরপর থেকেই চারিদিক অশান্ত বলে দাবি তুহিন মালিকের। কেন নয় মাসেও জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা যায়নি সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তুহিন মালিক লিখেছেন, ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র হচ্ছে ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রীয় কাঠামো পরিবর্তনের বন্দোবস্ত। সে কারণেই রাজনৈতিক দল, সিভিল-মিলিটারি আমলাতন্ত্র, সুবিধাভোগী সিভিল সোসাইটির কেউ চায় না বিদ্যমান এই কাঠামোর পরিবর্তন হোক।’

কারা জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন তা জানিয়ে তুহিন মালিক লিখেছেন, ‘অতীতের ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সুবিধাভোগীরা চাচ্ছে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র না হোক। বর্তমান ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সুবিধাভোগীরাও চাচ্ছে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র না হোক। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসলে ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সুবিধা প্রাপ্তির আশাবাদীরাও চাচ্ছে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র না হোক।’

কেন এতদিনেও জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা গেল না সেই প্রশ্ন তুলে তুহিন মালিক লিখেন, ‘৫ই আগস্টের পর ফ্যাসিবাদী সাংবিধানিক কাঠামোর ধারাবাহিকতার নামে সরকার গঠিত হয়ে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র জারী করা হলো না কেন? এরপর প্রায় পাঁচ মাস পর গত ৩১ ডিসেম্বর ছাত্ররা শহীদ মিনারে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশ করতে চাইলেও ৩০ ডিসেম্বর রাতে জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়ার পরও ঘোষণাপত্র জারী করা হলো না কেন? ওই কর্মসূচি থেকে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়ার পরও ঘোষণাপত্র জারী করা হলো না কেন?’

তিনি আরও লিখেন, ‘সর্বশেষ গণদাবীর প্রেক্ষিতে গত ১০ মে রাতে সরকার আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করে প্রকাশ করার ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছে। এরপর থেকেই চারিদিক অশান্ত। কেন নয় মাসেও জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা যায়নি?’

সবশেষ জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ না হওয়ার পেছনে কারণ জানিয়ে তুহিন মালিক লিখেন, ‘কারণ ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সুবিধাভোগীরা কখনই চায় না বিদ্যমান ফ্যাসিবাদী কাঠামোর পরিবর্তন হোক। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো- ১৯৭২ সালের সংবিধান সংশোধন বা প্রয়োজনে বাতিল করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়েছে জুলাই ঘোষণাপত্রের খসড়ায়।

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় আটক ১০

এবার হজে গিয়ে মারা গেছেন ৩৭ বাংলাদেশি

জঙ্গল সলিমপুরে কারাগার স্থাপন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাণিজ্য বিরোধ এড়াতে চীন-ইইউ’র সংলাপ

চীনের জাতীয় ক্লাসিক গ্রন্থ জাদুঘর

ইরান যুদ্ধে আমাদের জড়ানোই উচিত হয়নি: ট্রাম্প

ঈদের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত

ফজরের নামাজ পড়েই ধান কাটতে নামেন এমপি এনামুল

এসি রুমে বসে জনগণের সমস্যা বোঝা যায় না: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ