চীনা প্রকৌশলীরা যুদ্ধবিমান জে-১৫টি-কে আরও আধুনিকায়ন করেছেন। এতে করে এটি নবীনতম ‘ফুচিয়ান’ বিমানবাহী রণতরীর ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ক্যাটাপুল্ট সিস্টেমে টেকঅফের জন্য উপযুক্ত হয়। উন্নত সংস্করণটি জে-১৫ যুদ্ধবিমানের চেয়ে আরও শক্তিশালী ল্যান্ডিং গিয়ার এবং একটি নতুন ক্যাটাপল্ট টো বার সংযোজনের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
জে-১৫টি-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর নাকের নিচে অবস্থিত ‘টো বার’, যা বিমানটিকে ক্যাটাপল্টের সঙ্গে যুক্ত করে দ্রুত উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুত করে। চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এয়ার ফোর্সের প্রথম জে-১৫ যুদ্ধবিমানের টেস্ট পাইলট লি কুয়ো’এন বলেন, ‘এই টো বারই জে-১৫টির মূল বৈশিষ্ট্য। ক্যারিয়ার থেকে উড্ডয়নের সময় এটি ক্যাটাপল্টের সাহায্যে টানা হয়।’
লি কুয়ো’এন আরও বলেন, ‘ক্যারিয়ার ল্যান্ডিংয়ের সময় বিমানের পেছনের অংশে লাগানো টেইলহুকটি রানের তারে আটকে যায়, তখন সামনের গিয়ারটি ধাক্কা খেয়ে ডেকে আছড়ে পড়ে। এই সময়ে সামনের গিয়ারের শক্তি ও শক্তিশালী শক অ্যাবজরপশনের প্রয়োজন হয়, যা বড় একটি কারিগরি চ্যালেঞ্জ। আমরা চাই ভবিষ্যতে এই গিয়ারগুলো আরও হালকা স্লিম হবে।’
এই উন্নয়ন চীনের নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণের পথে একটি বড় পদক্ষেপ, যা বিশ্বমানের নৌ-এভিয়েশন সক্ষমতা অর্জনের দিকেও বড় অগ্রগতি নির্দেশ করে।